শিরোনাম
Home >> লীড নিউজ >> কালকিনিতে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

কালকিনিতে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

কালকিনি প্রতিনিধিঃ-মোঃ আতিকুর রহমান আজাদ
মাদারীপুরের কালকিনিতে হলুদ রঙে ছেয়ে গেছে কৃষকের ফসলের মাঠ। চলতি বছরে এ উপজেলায় সরিষার বাম্পার ফলনের আসা করছেন কৃষকেরা। কৃষি কর্মকর্তা বলছে বর্তমান আবহাওয়া সরিষার ফসলে তেমন কোন ক্ষতির প্রভাব ফেলবে না।
কালকিনি উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে,প্রধান ফসল বোরো ধান আর বোরো ধান চাষের পুর্বে কৃষকেরা চার মাস সুযোগ পেয়ে বারতী লাভের জন্য চাষিরা রবি শস্য হিসেবে সরিষা চাষের বেশী গুরুত্ব দিচ্ছেন। কারন জমিতে সরিষা চাষের পরেই বোরো ধান রোপন করবে। এ ছারা সরিষা চাষের পর এই জমিতে উর্ব্বতা শক্তি ও উৎপাদন ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পায় তা পরবর্তি ফসলের জন্য ভাল হয়। মোট কথা বলা যায় পরবর্তি ফসল উৎপাদনের সহায়ক হিসেবে রবি ফসল সরিষা।এ বছর কালকিনি উপজেলায় প্রায় তিন হাজার হেক্টর জমিতে বারি সরিষা-১৪,১৫ এবং নতুন উদ্ভাবিত উন্নত ফলন শীল জাত বারি-১৭ চাষ করা হয়েছে। প্রায় ৮টি ইউনিয়ন যেমন গোপালপুর,বালিগ্রাম,কাজীবাকাই,সিডিখান,শিকার মঙ্গল,এনায়েত নগর,লক্ষিপুর ও সাহেবরামপুর ইউনিয়নে সব চেয়ে বেশী জমিতে সরিষার চাষ করা হয়েছে।আর উপজেলার অধিকাংশ সরিষা চাষিদের রবি ফসল হিসেবে সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষে সরিষার বীজও সার সরকারের পক্ষ থেকে বিনামুল্যে প্রধান করা হয়েছে। উক্ত উপজেলার কিছু কিছু নিচু এলাকায় পানি জমে থাকায় কিছু চাষিরা সরিষা চাষ করতে পারেনি
গোপালপুর ইউনিয়নের কৃষক মোঃ সিরাজ হাওলাদার,সলেমান মাতুব্বর,মান্নান শরিফসহ একাধিক ব্যাক্তি বলেন, এবার সরকারের থেকে দেয়া সরিষার চাষ করে দেখা গেছে ফুল ও দানা একটু আগেই এসেছে , কিন্তু শৈত প্রবাহ ও ঘনকুয়াশা দীর্ঘ দিন থাকলে ফলনের ব্যাঘাত হতে পারে। আর যদি আবহাওয়া ভাল থাকে তাহলে আমরা চাষিরা লাভবান হব।
কালকিনি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিল্টন বিশ্বাস বলেন, চলতি মৌসুমে বিঘা প্রতি গরে ৬ মন আসা করছি। আর আমরা মাঝে মধ্যে চাষকৃত সরিষা ক্ষেতে গিয়ে কৃষকের সাথে কথা বলে সরিষা দেখভাল করে আসছি। যদি আবহাওয়া সরিষা চাষের অনুকুলে থাকলে এবার অবশ্যই কৃষকেরা লাভবান হবে। এবং পরবর্তি বোরো ধান চাষের জন্য চাষকৃত জমি অনেক উব্বর্রতা শক্তি পাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*