Home >> দূনতি >> মাদারীপুরে শিক্ষা প্রকৌশলীর টেন্ডারের লটারী নিয়ে ছলচতুরীর অভিযোগে বিক্ষোভ

মাদারীপুরে শিক্ষা প্রকৌশলীর টেন্ডারের লটারী নিয়ে ছলচতুরীর অভিযোগে বিক্ষোভ

মাদারীপুর প্র‌তি‌নি‌ধিঃ-রাকিব হাসান

মাদারীপুর শিক্ষা প্রকৌশলের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ হাসান শওকাতের বিরুদ্ধে টেন্ডার নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এইসব অনিয়মের প্রতিকার ও তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনে দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদারগন। ঘটনাটি মঙ্গলবার দুপুরে ঘটে।

স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ হাসান শওকাতর গত ২৫/০৯/১৯ ই তারিখে টেন্ডার নোটিশ প্রদান করে। নোটিশ নং ০৭/২০১৯-২০২০ মোট ১৭টি গুরুপ টেন্ডার কল করা হয়। তবে টেন্ডার ড্রোপের দের মাস পরে বিনা নোটিসে ১ গুরুপ পে-অডার অফিস কতৃপক্ষ রিলিজ করে দেয়। যা আইন বহিঃভুত কাজ হয়েছে বলে মনে করেন একাধিক ঠিকাদার। এক গুরুপ সিডিউলের মুল্য ভ্যাটসহ দুইহাজার একশত পনের টাকা এবং পে-অডার খরচ দেড় মাসে প্রায় তিন হাজার টাকা করে। এতে একজন ঠিকাদারের পাঁচ হাজার টাকার চেও বেশি খরচ হয়েছে। শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রায় দুইশ ঠিকাদার। নির্বাহী প্রকৌশলীর এহেন কান্ডে সকল ঠিকাদারগনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পরে দুজন ঠিকাদরের কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্যেও তারেকে বাদ দিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছের লোকদের ৪গুরুপ কাজ সিস্টিমে লটারীতে দিয়ে দেন। এঘটনা জানা জানি হলে শিক্ষা প্রকৌশল মাদারীপুর অফিসে হট্টগোল লাগলে নির্বাহী প্রকৌশলী পূনরায় সকল গুরুপ কাজের লটারী করার কথা থাকলেও মঙ্গলবার ৮টি গুরুপের লটারী করে দেয়। এ নিয়ে জেলার ঠিকাদারদের মাঝে চরম হতাশা বিরাজ করছে। কয়েকজন ঠিকাদার এ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সামনে বিক্ষোভও করেছে। ঠিকাদারদের দাবি নির্বাহী প্রকৌশলী এক গুরুপ সিডিউলের টাকা ফেরতসহ পূনরায় বাকি ৪ গুরুপ লটারী করা হোক।

মাদারীপুর পৌরসভার সাবেক কাউঞ্চিলর স্থানীয় ঠিকাদার মাহাবুব হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, মাদারীপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নানা অনিয়মের সাথে জড়িত। বিভিন্ন দপ্তরে টেন্ডার ড্রপের এক সপ্তাহের মধ্যে লটারী করে দেয়। কিন্ত শুধু শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগে দের/দুমাস সময়ের পরে কাজের লটারী করে। নির্বাহী প্রকৌশলী তার নিদ্রিষ্ট লোকজনকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময়ে ছলচতুরী করেন। ১৩ গুরুপ কজের মধ্যে শুধু ৮ গুরুপের লটারী করা হয়েছে। শুনেছি বাকি ৫ গুরুপ তার নিজস্ব লোকদের দেওয়া হবে। আমরা ঠিকাদারগন সরকারকে ভ্যাট/ট্যাক্স দিয়ে ব্যবসা করি তার পরেও কেন অনিয়ম। আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাই এবিষয় তদন্ত করে দ্রæত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

অনিয়মের ব্যাপারে জানতে নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান শওকত কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কোন অনিয়ম করি নাই। তবে ভুল হয়েছে। দুজনের কাগজ সঠিক থাকার পরেও বাদ পরেছে। আমরা তাদের এ্যাড করে ৮গুরুপের লটারী করা হয়েছে। বাকি ৪ গুরুপের ব্যাপারে এথনও সিন্ধান্ত হয়নি। আর ১ গুরুপের পাইলিং করা হবে বলে, রি-টেন্ডার করা হবে।

দেশের কন্ঠ২৪.কম/সাকিল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*