Home >> দুর্ঘটনা >> কিশোরগঞ্জে বন্ধুকে হত্যার দায়ে বন্ধুর ফাঁসি

কিশোরগঞ্জে বন্ধুকে হত্যার দায়ে বন্ধুর ফাঁসি

ডেস্ক রিপোর্টঃ-

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরটেকি কোনাপাড়া গ্রামের রাজমিস্ত্রী সুমন মিয়া হত্যার দায়ে বন্ধু রাজীব ওরফে বুলবুলকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন কিশোরগঞ্জের তৃতীয় আদালতের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রদীপ কুমার রায়। এসময় আদালত তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৬ জুলাই রাত ১০টার দিকে আসামি রাজীব ওরফে বুলবুল মোবাইল ফোনে কাজ আছে বলে তার বন্ধু সুমন মিয়াকে ডেকে চরটেকি নামাপাড়া গ্রামের একটি পতিত জমিতে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে আসামি রাজীব সুমনের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও ২৮০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়ার জন্য তাকে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে সুমনের পরনের লুঙ্গি ও গেঞ্জি খুলে তার হাত-পা বেঁধে মরদেহ একাই কাঁধে বহন করে তার চাচা আমিরুদ্দিনের বাথরুমের ট্যাংকির পাশে নিয়ে যায়। সেখানে ছুরি দিয়ে দেহ ক্ষত-বিক্ষত করে পরে মরদেহটি ট্যাংকিতে ফেলে দেয়।

এ ঘটনায় গ্রামবাসী পর দিন সন্দেহবশত রাজীবকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক ট্যাংকি থেকে সুমন মিয়ার লাশ উদ্ধার করে। রাজীব আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরটেকি কোনাপাড়া গ্রামের রাজমিস্ত্রী সুমন মিয়া হত্যার দায়ে বন্ধু রাজীব ওরফে বুলবুলকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন কিশোরগঞ্জের তৃতীয় আদালতের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রদীপ কুমার রায়। এসময় আদালত তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৬ জুলাই রাত ১০টার দিকে আসামি রাজীব ওরফে বুলবুল মোবাইল ফোনে কাজ আছে বলে তার বন্ধু সুমন মিয়াকে ডেকে চরটেকি নামাপাড়া গ্রামের একটি পতিত জমিতে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে আসামি রাজীব সুমনের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও ২৮০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়ার জন্য তাকে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে সুমনের পরনের লুঙ্গি ও গেঞ্জি খুলে তার হাত-পা বেঁধে মরদেহ একাই কাঁধে বহন করে তার চাচা আমিরুদ্দিনের বাথরুমের ট্যাংকির পাশে নিয়ে যায়। সেখানে ছুরি দিয়ে দেহ ক্ষত-বিক্ষত করে পরে মরদেহটি ট্যাংকিতে ফেলে দেয়।

এ ঘটনায় গ্রামবাসী পর দিন সন্দেহবশত রাজীবকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক ট্যাংকি থেকে সুমন মিয়ার লাশ উদ্ধার করে। রাজীব আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

এ ব্যাপারে নিহতের মা শিউলি আক্তার বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে পুলিশ তদন্তশেষে একমাত্র আসামি রাজীব  বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

দেশের কন্ঠ২৪.কম/সজিব

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*