Home >> লীড নিউজ >> মানিকগঞ্জের হরিরামপুর থানার  এ এস আই কালামের হুংকার টাকা ছাড়া মামলা হবেনা খরচ লাগবে 

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর থানার  এ এস আই কালামের হুংকার টাকা ছাড়া মামলা হবেনা খরচ লাগবে 

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি ঃ
প্রতিনিয়ত আমরা সবাই জানি গরীব -অসহায়ের মামলা ব্যয় বর্তমান সরকার দেয়/ চালায় হরিরামপুরে এর ব্যতিক্রম হয়েছে বলে জানান রাসেল শিকদার তিনি আরো জানান, হরিরামপুর থানার এএসআই আবুল কালাম আজাদ সাহেব বলেন তোমরা মামলা চালাতে পারবেনা মামলা চালাতে অনেক টাকা খরচ হবে তোমাদের মামলা এখনো হয় নাই। কমসেকম ১০ হাজার টাকা দিতে হবে শুধু মামলা চালু করতে। “এর  থেকে ভালো মীমাংসায় আসো” এমন কথা বলেছেন মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার এএসআই আবুল কালাম আজাদ হরিরামপুর থানাধীন সুনাকান্দর গ্রামের হতদরিদ্র রাসেল ও তার পরিবারকে।
ভুক্তভোগী রাসেল শিকদার ঘটনার বিবরণে জানান, গত৪/১০/২০১৯ তারিখে আমার ভাতিজা সবুজকে বাড়ির সামনে থেকে ফাহিম রকিবুল, হাসান ,সুমন ও একান্ত মারধর  করে। আমরা থানায় গিয়ে অভিযোগ করি। এক সপ্তাহ পর পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে এবং আসামিদের বাড়িতে যায়। আসামির বাড়ি থেকে আবার আমার বাড়ি ফিরে এসে বলেন , “চারটার দিকে থানায় যাবে”। আমি জিজ্ঞেস করি, থানায় যাব কেন? সে বলে থানায় যাবেন তারপর বলব। আমরা ৪টায় থানায় যাই। তিন ঘন্টা বসে থাকার পর পুলিশ আবুল কালাম আজাদের সাথে আসামিদের বাবা-মা আসেন, এসে ডেকে বলেন তোমাদের ডেকেছি মীমাংসা করার জন্য। তোমরা মীমাংসায় আসো, মীমাংসায় না আসলে মামলা করতে অনেক টাকা লাগে, ১০ হাজার  টাকা দিলে মামলা চালু হবে। আমরা বললাম এত টাকা লাগলে মীমাংসা করে দেন। মীমাংসা করলে যদি ভাল হয়! বিচার চেয়েছিলাম সেটা তো আর পেলাম না।
সবুজের আরেক চাচা সোহেল সিকদার জানান, থানায় অভিযোগ করার পর গালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিক বিশ্বাস ও সাবেক মেম্বার মান্নান বলেন অভিযোগ উঠাতে। “অভিযোগ না উঠালে এর পরিণাম খারাপ হবে”। পরে থানায় নিয়ে চাপ দিয়ে সেখানেই মীমাংসা করতে বাধ্য করে।
প্রতিবেশী খোয়াজ উদ্দিন খান ও তার স্ত্রী জানান, আমি শুনেছি আসামিপক্ষ থেকে দারোগা ৩০ হাজার টাকা নিয়েছেন।
  সাবেক মেম্বার মান্নান জানান, আমার সাথে তাদের সাথে কোন কথা হয় নাই কথা হয়েছে চেয়ারম্যানের সাথে ,চেয়ারম্যান আমাকে নিয়ে গিয়েছিলেন থানায়, গিয়ে দারোগার সাথে কথা বলে মীমাংসা করেছে। টাকা নিয়েছে সেটা আমি জানি কিন্তু কত দিয়েছেন সঠিক বলতে পারবোনা লেনদেন হয়েছে চেয়ারম্যানের হাত দিয়ে ।কিছু টাকা বাকি ছিল পরে চেয়ারম্যানের মাধ্যমে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে গালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিক বিশ্বাস বলেন, এগুলো আমার জানা নাই চাপ দিয়ে কোন ঝামেলা মিটানো হয়নাই।
হরিরামপুর থানার এএসআই আবুল কালাম আজাদ বললে , এটা মিথ্যা কথা  চেয়ারম্যান ছিল মেম্বার ছিল তারাই করেছে সবকিছু।
হরিরামপুর থানার (ওসি )মুঈদ চৌধুরীর সাথে কথা বললে তিনি বলেন এগুলো সম্বন্ধে  জানেন না বলে জানান তিনি ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*