" /> রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের নিয়ে এ কোন রাজনীতি? – desharkantho24
শিরোনাম
Home >> রাজনীতি >> রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের নিয়ে এ কোন রাজনীতি?

রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের নিয়ে এ কোন রাজনীতি?

হেলাল শেখঃ-

 

দেশের শান্তি প্রিয় মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতা পেয়ে বাঁচতে চায়, তবে রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের নিয়ে এ কোন রাজনীতি শুরু হলো? অভিযোগ উঠেছে দেশের অনেক নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে যে, মাদক সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, জমি দখল করে অর্থ কামানো নাকি নেতাদের কাজ। অনেকেই বিভিন্নভাবে হয়রানি হচ্ছেন বলেও অভিগোগ রয়েছে। এই স্বপ্ন ছিলো কি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর? এমনটি কেঊ আশা করিনি। বঙ্গবন্ধুর উচ্চারণ ও দেশের জন্য মরতে পারি প্রয়োজনে মহারণ, আমি বলতে চাই, স্বাধীনতার পতাকা বুকে নিয়ে ঐক্যে সেদিন গোটা দেশ, একটি কথা একটি আশা-তা হলো শক্রমুক্ত বাংলাদেশ। লাখো মা-বোনের ইজ্জত ও লাখো সন্তানের তাজা রক্ত দিয়ে লাল সবুজের পতাকা অর্জন। কত মায়ের আহাজারি, স্বাধীনতা তোমার লাগি ঝরছে কত তরতাজা জীবন। আর কত অশ্রুবারি হবে এই মাটিতে। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে গড়লো যারা নতুন দেশ, তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাদের রক্তেই আজ এই বাংলাদেশ, আমরা পেয়েছি লাল সবুজের পতাকা, আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।
মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করি আমরা, তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকারের মধ্যদিয়ে কত দিবস পালন করে আসছি, ১৯৭১ সালের ৯ মাস যুদ্ধের সময় বাংলাদেশে এক একটি দিন একটি করে ইতিহাস। সবাইকে বাংলাদেশের ইতিহাস জানা দরকার। উল্লেখ্য আরও একটি ইতিহাস-গত ২০১৮ ইং সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিশাল একটি জয়, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্বনেতারা। চীনের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী, ভূটানের রাজা ও প্রধানমন্ত্রী এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বলে সে সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে গণমাধ্যমকে।
বিশ্ব নেতারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকার প্রধান ও আওয়ামী লীগ একটি শক্তিশালী সরকার। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “সর্বপ্রথম ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টেলিফোনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে ও তার দল বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তারা”। বিশ্ব নেতারা চান যে, দ্বিপাক্ষীয় সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি পুর্ণব্যক্ত করেছেন তারা। এ বিষয়ে দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের চলমান কিছু ঘটনা। বাংলাদেশ নাম লেখা হতো না, লাল সবুজের পতাকা উঁড়তো না, যদি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে এই দেশ স্বাধীন না হইতো। ইতিহাস পড়ুন, জানুন যে, শেখ মুজিবুর রহমান তিনি কেমন ভালো মানুষ ছিলেন, কেমন নেতা ছিলেন? আর বর্তমান নেতা কর্মীদের কথা বলতে গেলে লজ্জা লাগে বলেছেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ নাসিম। কোথায় প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে? ইতিহাস বলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সভায়, ২ মার্চ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান নায়ক হিসেবে বলা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ। অন্যদিকে, ২৪ তম বিসিএস ২০০৩ সালের ১২২ পাতায় কম্পিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইডের সুত্র-বাংলাদেশে মোট জমির পরিমাণ ৩ কোটি ৬৬ লক্ষ ৭০ হাজার একর। বাংলাদেশে মাথাপিছু আবাদী জমির পরিমাণ এক সময় ছিলো প্রায় .২৫ একর (২৫শতাংশ)। বাংলাদেশের মোট শ্রমশক্তির কতভাগ লোক কৃষি কাজে নিয়োজিত, তা আমরা অনেকেই জানিনা। প্রায় ৬৬ ভাগ মানুষ কৃষি কাজ করেন। কিন্তু বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি ও ইটভাটাসহ বিভিন্ন কলকারখানা আবাদী জমিতে হওয়ার কারণে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে অনেক এলাকায়। মানুষ বাড়ছে, নেতা বাড়ছে তবে সততার অভাবে মানুষগুলো অমানুষ হয়ে যাচ্ছে। কারণ, অমানুষগুলো দেখতে মানুষের মত তাই তাদেরকে চেনা যায় না।
তথ্যমতে কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশে জনসংখ্যা ছিলো মাত্র ৭-৮ কোটি। বর্তমান বেড়ে গিয়ে তা প্রায় ১৮ কোটির মতো জনসংখ্যা হয়েছে। মানুষের খাদ্য বস্ত্র ও চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে সরকার। কিন্তু বর্তমানে উন্নয়নমুখী সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলের নেতাকর্মীরা দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন, আর একটি মহল তার বিরোধীতা করছে, অনিয়ম দুর্নীতি করছে নব্য আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও সহযোগি সংগঠনের কিছু নেতা কর্মী। এ কোন নাটক? এ কোন রাজনীতি শুরু হলো? অপরাধ করেও প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে অপরাধীরা। তবে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাহসীকতার সাথে অভিযান পরিচালনা করছেন, তাই জনস্বার্থে কাজ করার জন্য তাদেরকে সাধারণ মানুষ ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। কেউ ছাড় পাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন বর্তমান সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*