শিরোনাম
Home >> জাতীয় >> নিশ্চিন্তপুরের ৫’শ বছরের পুরনো  মসজিদটির সংস্কার প্রয়োজন

নিশ্চিন্তপুরের ৫’শ বছরের পুরনো  মসজিদটির সংস্কার প্রয়োজন

 ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ-আঃ কাদের আকন্দ
ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ৭নং বাক্তা ইউনিয়নের অন্তর্গত নিশ্চিন্তপুর গ্রামের সরকার পাড়ায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ১গম্বুজ বিশিষ্ট ৫০০ বছরের এই প্রাচীণ মসজিদটি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আজ থেকে ৫’শ বছর পূর্বে এই গ্রামের উসকা সরকার নামক ব্যক্তির নিজ উদ্যোগে স্থানীয়দের নিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেন এই প্রচীণতম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিশ্চিন্তপুর সরকার পাড়া জামে মসজিদটি। তৎকালীন সময়ে নিশ্চিন্তপুর, শ্রীপুর, বড়খিলা, বাক্তা এবং কালাদহসহ প্রায় ৭/৮টি গ্রামের লোকজন এই মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতেন। কালের বিবর্তনে সময়ের পরিবর্তনে পরবর্তীতে জাহিদ সরকার, নোয়াই সরকার, জানু সরকার, খানু সরকার এবং নঈমুদ্দিন সরকারসহ প্রায় ৬টি শতাব্দী পার হলেও প্রাচীণ এই মসজিদের উন্নয়নে তেমন কোন পরিবর্তন ঘটেনি। মসজিদ পরিচালনা কমিটির বর্তমান সভাপতি মৃত নঈমুদ্দিন সরকারের বড় ছেলে আব্দুস ছামাদ সরকার জানায়, মসজিদের নামে ওয়াক্ফকৃত ৪৮শতাংশ জমি রয়েছে। ২২শতাংশ জমিতে রয়েছে মসজিদ ও গুরুস্থান আর ২৬ শতাংশ জমিতে যেফসল উৎপাদিত তা দিয়ে খতিব সাহেবের নামমাত্র বছরে ৪মণ ধান দেওয়া হয়। প্রতি
শুক্রবার অত্র এলাকার মুসল্লিদের আগমনে জায়গার সংকোলান না হওয়ায় মসজিদটি সম্প্রাসারণ করা একান্ত প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। কিন্ত অর্থাভাবে মসজিদের সংস্কার বা সম্প্রসারণ করা সম্ভাব হচ্ছে না। সভাপতি সাহেব আরও বলেন, বর্তমান সরকার মসজিদ ও মাদরাসাসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নয়ন করে যাচ্ছেন। এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রাচীণ এই মসজিদেটির উন্নয়নে বর্তমান সরকারের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোসলেম উদ্দিন এডভোকেট স্যার ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলেন। উক্ত বরাদ্দকৃত টাকা দিয়ে মসজিদটির চুন-কাম  করা হয়েছে। স্থানীয় নূরুল ইসলাম বলেন, মহল্লাবাসীর উদ্যোগেই দীর্ঘকাল যাবৎ নামমাত্র বেতনে একজন খতিব থাকলেও বেতনভূক্ত নেই কোন মুয়াজ্জিন। ফলে যখন যে মুসল্লি আসে, সেই আজান দেয় নামাজ পড়ে।প্রাচীণতম এই মসজিদটির সংস্কার ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে স্থানীয় এলাকাবাসী আলহাজ্ব এডভোকেট মোসলেম উদ্দিন এম.পি মহোদয় সহ সকল রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সমাজ সেবক এবং দানশীলদের সহযোগিতা কামনা করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*