শিরোনাম
Home >> লীড নিউজ >> রাণীশংকৈল মালিভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ ॥ ২৬ বছরেও নেই আয়-ব্যায়ের হিসাব জমি দখল করে আছেন বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি

রাণীশংকৈল মালিভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ ॥ ২৬ বছরেও নেই আয়-ব্যায়ের হিসাব জমি দখল করে আছেন বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ঃ-মুনসুর আহম্মেদ

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার মালিভিটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবং ঐ স্কুলের সভাপতি মোঃ দবিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ হয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে। ৮১নং মালিভিটা নব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন একি এলাকার মোঃ খলিলুর রহমান ও নুরবানু বেগম। অভিযোগে বলা হয়েছে এই বিদ্যালয়টি ১৯৮৩ সালে স্থাপিত
হয়। তখন বে-সরকারি হিসেবে পরিচালিত ছিল। ২০১৩ সালে নব-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘোষনা করা হয়।

এদিকে অভিযোগ বর্ণিত বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য মোঃ দবিরুল ইসলাম এবং তিনি প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

বর্ণিত বিদ্যালয়টি অনুমান ৪৫ শতক জমি আছে। যা উপরোক্ত দূর্নীতিকারী বিবাদী অনুমান ৭ শতকের মধ্যে ভবন সহ শ্রেণী কক্ষ বিদ্যমান আছে। ঐ প্রধান শিক্ষক যখন দায়িত্বে ছিলেন তখন হইতে তিনি আনুমানিক ৩৮ শতক জমি অবৈধ ভাবে ভোগ দখল আসছেন। তিনি অবসর গ্রহণ করার পর ২০১৬ সালে রাতের অন্ধকারে ম্যানেজিং কমিটি করে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর পরে সেই স্কুলের দূর্নীতি সংক্রান্ত ২ জন বিদ্যুৎসাহী কমিটির সদস্যগণ উপরোক্ত দূর্ণীতিকারীর বিরুদ্ধে বর্ণিত ৩৮ শতক জমি আয়-ব্যয়ের কথায় কি ভাবে আছে তা জানতে চান। এতে তিনি অভিযোগকারীদের বিদ্যালয়ের জমি সংক্রান্ত দলিল পত্র ও হিসাব না দেওয়ার ভান করেন। এদিকে এটিও মোঃ মঞ্জুরুল আলমের কাছে ৮১নং মালিভিটা নব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের জন্য ৩৩ শতক জমির প্রয়োজন। যা এই বিদ্যালয়ের আছে। উক্ত জমি দাতা
সদস্য ও সভাপতির সাথে যোগাযগা করে কাগজ পত্র পেয়েছি। ফসলাদি থাকার কারণে এই মুহুর্তে বিদ্যালয়ের কাজ শুরু বা আরম্ভ করা যাচ্ছে না। কাগজে কলমে বিদ্যালয়ে আনুমানিক ৪৫ শতক জমি রয়েছে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় এ স্কুলটি ৭-৮ শতক জমির উপর দাড়িয়ে আছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে জমি সংক্রান্ত কাগজ পত্র নিয়ে
কথা হলে তিনি বলেন জমির কাগজপত্র ফাইল আছে তবে উপরোক্ত জমি এ স্কুলের প্রধান শিক্ষক আছে। তিনি অবসরে যাওয়ার পর ঐ স্কুলের সভাপতি হিসেবে মোঃ দবিরুল ইসলামের কাছে আছে। সভাপতি দবিরুল ইসলামের কাছে যোগাযোগ করা হলে, তিনি বলেন উক্ত বিদ্যালয়ের যেটুকু সম্পদ আছে তা আমার বাবার দেওয়া এবং আমরাই দাতা সদস্য। সেই সুবাদে আমি উক্ত বিদ্যালয় ও সম্পদটুকু দেখা শুনা করতাম এবং ঐ স্কুলের আমি প্রধান শিক্ষক ছিলাম পরে আমি ২০১৬ সভাপতি হয়েছি। এখন কে বা কাহারা আমার বিরুদ্ধে অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ করেছে। রাণীশংকৈল উপজেলার
প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মোকসেদুর রহমানের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বিদ্যালয়টির জমি দাতা সদস্যের পরিবারের কাছে দখলে ছিল। এখন সেটা উদ্ধার হয়েছে। ভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দও এসেছে। টেন্ডারও হয়েছে অতি শীগ্রই বিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*