শিরোনাম
Home >> লীড নিউজ >> শরণখোলায় জেলেদের বরাদ্দের চাল ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ, তদন্তে জেলা প্রশাসন

শরণখোলায় জেলেদের বরাদ্দের চাল ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ, তদন্তে জেলা প্রশাসন

বাগেরহাট প্রতিনিধি: মোঃ ছায়মন

বাগেরহাটের শরণখোলায় উপজেলায় জেলেদের বিশেষ বরাদ্দের চাল ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ তদন্তকরেছেন জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার  বেলা ১১টায় স্থানীয় সরকার বিভাগের

উপ-পরিচালক (উপ সচিব) দেব প্রসাদ পাল রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদ ও ইউএনও’র কার্যালয়েবসে সংশ্লিষ্টদের সাক্ষ্য গ্রহন করেন। এর আগে দুই পক্ষের মিছিল সমাবেশ করলে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী

অফিসার উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন।জানাগেছে, চলতি বছরের ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা বন্ধ থাকার কারনে সরকার ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে জেলেদের জনপ্রতি ৪৬ কেজি চাল বিশেষ বরাদ্দ দেয়। গত ২৩ আগষ্ট রায়েন্দা ইউনিয়নে ওই চাল বিতরনের সময় উপজেলা যুব লীগের

সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজমল হোসেন মুক্তা জেলেদের কয়েক বস্তা চাল পরিমাপ করে কম দেয়ার অভিযোগ করেন। এসময় জেলেদের করেকটি বস্তা তিনি থানায় জমা করেন। পরে জেলেদের

পক্ষে আমিনুর চাপরাশী, খলিল জোমাদ্দার, শাহাবুদ্দিন চাপরাশী, জামাল আকন জেলা প্রশাসক বরাবরে ৭/৮ কেজি করে চাল কম দেয়ার লিখিত অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন থেকে তদন্তে

আসার নোটিশ দিলে সকাল ১০টায় আজমল হোসেন মুক্তা ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও অভিযোগকারী জেলেদের নিয়ে মিছিল ও শরনখোলা উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করেন। এসময়

উপজেলা; যুব লীগের আহবায়ক রায়েন্দা ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলনও কর্মী সমর্থকদের নিয়ে পাল্টা মিছিল করলে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থলে এসে উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন।এব্যপারে শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ এস,কে আব্দুল্লাহ আল সাইদ বলেন, পরিস্থিতি

এখন শান্ত রয়েছে। তবে সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থালে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, অভিযোগের ভিত্তিত্বে

জেলা প্রশাসন থেকে তদন্ত করা হয়েছে। ওই তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিত্বে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সিন্ধান্ত নিবেন।

রায়েন্দা ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন বলেন, জেলেদের কোন চাল কম দেয়া হয়নি। আমার প্রতিদন্ধি চেয়ারম্যান প্রার্থী আজমল হোসেন মুক্তা জনপ্রিয়তায় না পেরে ষড়যন্ত্র করে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন।

আজমল হোসেন মুক্তা বলেন, সঠিক তদন্ত হলে চেয়ারম্যান মিলন ফেঁসে যাবেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক দেব প্রসাদ পাল বলেন, তদন্তে উভয় পক্ষের বক্তব্য নেয়া হয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী রিপোর্ট দেয়ার পর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*