শিরোনাম
Home >> দূনতি >> আটক হন যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম

আটক হন যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম

 

নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম। রাজধানীর প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবেই পরিচিত শামীম।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সন্মানদী ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত মো. আফসার উদ্দিন মাস্টারের ছেলে শামীম।

চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগ গ্রেফতার হওয়া জি কে শামীম এক সময় ছিলেন বিএনপির ঢাকা মহানগর যুবদলের সহ-সম্পাদক। পরে দল বদলে যোগ দেন আওয়ামী লীগের যুব সংগঠন যুবলীগে। সেই জি কে শামীম এখন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক।

ধীরে ধীরে দলের পদ বাগিয়ে হয়ে ওঠেন প্রভাবশালী নেতা, বাগাতে থাকেন সরকারি টেন্ডার। প্রতিটি সরকারি কাজের টেন্ডার ছিল তার নিয়ন্ত্রণে। এ কারণেই এক সময় তিনি ‘টেন্ডার শামীম’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন। সব সময় তার সঙ্গে রাখতেন ছয়জন অস্ত্রধারী দেহরক্ষী।

এদিকে বাসাবো ও এজিবি কলোনির কয়েকজন বাসিন্দা গণমাধ্যমকে জানান, ওয়ার্ড যুবদলের মাধ্যমেই তার রজনীতি শুরু। পরবর্তী সময়ে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয় এবং তাদের সহযোগিতায় ধীরে ধীরে গণপূর্ত ভবনের ঠিকাদারি ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নেন তিনি। ঢাকা মহানগর যুবদলের সহ-সম্পাদকের পদও বাগিয়ে নেন। বিএনপি আমলে গণপূর্ত ভবন ছিল তার দখলে।

ক্ষমতার পালাবদলে শামীমও বদলে গিয়ে এখন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা। পাশাপাশি তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগেরও সহ-সভাপতি। একসময় বিএনপির বড় বড় নেতাদের ছবিসহ সবুজবাগ-বাসাবো এলাকাসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় শোভা পেত জি কে শামীমের ব্যানার-পোস্টার। এখন শোভা পায় যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের ছবিসহ পোস্টার-ব্যানার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায়।

বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলের মতোই আওয়ামী সরকারের আমলেও জি কে শামীমের একক আধিপত্য চলছে গণপূর্তে ঠিকাদারি ব্যবসায়। গত জাতীয় নির্বাচনের সময় শামীম আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচনের জন্য প্রচারণাও চালিয়েছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*