শিরোনাম
Home >> লীড নিউজ >> মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের বাচামারা ইউনিয়ন এখন নদীর সাথে লড়াই করছে

মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের বাচামারা ইউনিয়ন এখন নদীর সাথে লড়াই করছে

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ আল মামুন

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা ইউনিয়নের মানচিত্র  নদীর ভাঙনে ক্রম:শই ছোট হয়ে গেছে । ভিটা মাটি হারিয়ে ভূমিহীন হয়ে পড়েছে ওই এলাকার প্রায় ছয় শত বাড়ী ঘড়। এছাড়া বর্ষা মৌসুম হওয়ায় নদী দিয়ে প্রবেশ করছে জোয়ারের পানি। বন্ধ হয়ে গেছে কৃষিকাজ। ফলে দুর্ভোগে দিন পার করছেন ওই এলাকার কয়েক হাজার কৃষক।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নদীর প্রবল ¯স্রোতে বাচামারা গ্রামের বাজারের পচ্ছিকাংশ ভেঙ্গে গেছে ।  অব্যাহত ভাঙনে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে কমে যাচ্ছে ওই ইউনিয়নের ভূখন্ড। প্রতিনিয়ত ভূমিহীন হয়ে পড়েছেন নতুন পরিবার। মজবুত বাঁধ নির্মানসহ যথাযথ পরিকল্পনা গ্রহন না করলে এই জনপদটি পুরোপুরি বিলিন হওয়ার আশংকা করছে এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীরা জানান- তাদের পূর্ব পুরুষরা ৪০ বছর ধরে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তবুও এলাকা না ছেরে নতুন করে বাড়ী বানিয়ে   বসবাস করে আসছেন তারা।বাচামারা গ্রামের মোঃ নুরু ইসলাম বলেন- তাদের বাড়ীর সামনে এক একর জমি ছিল, সবই নদীতে বিলিন হয়েছে। এ বছর ভাঙ্গনের পরিমান অনেক বেশি।২৮ নং  বাচামারা (১)সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক  মোঃ আব্দুল ককাদের আজাদ বলেন কয়েকবার নদী গর্ভে বিলিন হওয়ার পর নতুন করে স্কুল স্থাপনা করেছি। এটাও ভেঙ্গে যাওয়ার সম্বাবনা আছে।

বাচামারা ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, ওই ইউনিয়নের মোট আয়তন ছিল ২০ বর্গকিলোমিটার। ক্রমান্বয়ে তা কমে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৪ বর্গকিলোমিটারে। ওই ইউনিয়নের ৪৭/৫ পোল্ডারে সাত কিলোমিটারের অবস্থা খুবই নাজুক। অব্যাহত ভাঙনে যে কোন সময় বিলীন হয়ে যেতে পারে  এই ইউনিয়নটি।
( অঃ)  সহকারি শিক্ষক মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, আমাদের  এলাকার মানুষ নিঃস্ব ও অসহায়। আমাদের বাবা মায়ের কবর কেরে নিয়েছে ওই করাল গ্রাসী রাক্ষসী নদী। তাই অসায় মানুষ গুলো বর্তমানে  মানবেতর জীবনযাপন করছে।  প্রধান মন্তীর কাছে আমাদের আকুল আবেদন নদী শাসন কল্পে তিনি যেন সদয় হোন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*