শিরোনাম
Home >> লীড নিউজ >> পটুয়াখালী বাউফলে পুলিশের দেয়া মাদক মামলার স্বাক্ষীর পরিবার ফেরারি

পটুয়াখালী বাউফলে পুলিশের দেয়া মাদক মামলার স্বাক্ষীর পরিবার ফেরারি

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ এম.জাফরান হারুন

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় মাদক ব্যবসায়ীরা চলছে দাপটে। তবে স্থানীয় গণমাধ্যম ও সাধারণ জনগণ মনে করছেন
অতিতের তুলনায় বর্তমানে মাদক ব্যবসা অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। বাউফল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানের মাদক বিরোধী অভিযান প্রশংসার দাবি রাখে। মাদক নির্মুলে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি জনগণের সম্পৃক্ততা অপরিহার্য। অনেকাংশে মাদক নির্মুলে জনগনের সম্পৃক্ততা প্রাননাশের হুমকিও বটে। এরই ধারাবাহিকতায় গত- ৫ই সেপ্টেম্বর  বাউফল থানায় মাদক মামলার স্বাক্ষী প্রাননাশের হুমকিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনে সাধারণ ডায়েরি রুজু করেন। ডায়েরি নং ২৫১।

সাধারণ ডায়েরির প্রসঙ্গে বাদি খলিলুর রহমান (৫০) পিতা মৃতঃ কেতাব আলী সরদার, সাং বাউফল পৌরসভা ৬নং ওয়ার্ড তিনি জানান, অনুমান গত ৭/৮ মাস আগে বাউফল থানা পুলিশ গোপন তথ্যর ভিত্তিতে ৬নং ওয়ার্ডের দাসপাড়া এলাকায় মাদকের অভিযান চালায়। অভিযানে বাউফল থানা পুলিশ একাধিক মাদক মামলার আসামি সোহরাব হোসেনকে (৩০) মাদক সহ গ্রেফতার করে। থানা পুলিশ সরেজমিন স্থানীয় এলাকা বাসির কাছ থেকে স্বাক্ষী গ্রহনকালে আমার ছেলে অলিউল্লা ও-ই মামলার স্বাক্ষী হন। মাদক ব্যবসায়ী সোহরাব হোসেন স্বাক্ষীর বিষয়টি জেনে যায়। সোহরাব জামিনে মুক্তি পেয়ে স্বাক্ষীর পরিবারের উপর নির্যাতন শুরু করে।  নির্যাতনের পাশাপাশি ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে অন্যথায় প্রাননাশের হুমকি সহ মাদক মামলায় জড়িয়ে দিবার প্রচেষ্টা চালায়। বিরামহীন হুমকি ও অপচেষ্টার ধারাবাহিকতায় গত ২রা সেপ্টেম্বর ১৯ইং তারিখ দুপুর অনুমান ২ ঘটিকার সময় মাদক ব্যবসায়ী সোহরাব হোসেন স্বাক্ষীর বসত বাড়িতে হামলা চালায়।

বাদী খলিলুর রহমান ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হামলা চলাকালীন সময় সোহরাব বাদী খলিলুর রহমানকে শারীরিক ভাবে নির্যাতন চালায়। ইতিপূর্বে সোহরাবের ভয়ে ফেরারি স্বাক্ষী অলিউল্লা। শারীরিক নির্যাতন ও প্রাননাশের ভয়ে বাদী খলিলুর রহমান বসত বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়ায়। জীবন বাঁচাতে খলিলুর রহমান পটুয়াখালী সদর পৌরসভার অাত্বীয় পরিজন ও স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের সহায়তায় বাউফল থানায় উপস্থিত হন। ঘটনার বিস্তারিত বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানকে অবহিত করেন। অফিসার ইনচার্জ বিষয়টি আমলে নিয়ে তৎক্ষনাৎ ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠায় এবং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি রুজু করার নির্দেশ প্রদান করেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বাদী খলিলুর রহমান বাউফল পৌর শহরের মাছ বাজারের একজন ভাসমান পান বিক্রেতা। বাজারের সাধারণ মাছ ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনসাধারণ মনে করছেন মাদক বিরোধী অভিযানে খলিলের পরিবারের ত্যাগের কথা পুলিশ প্রশাসনের স্মরন রাখা উচিৎ । পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসন খলিলের  সুরক্ষায় সর্বদা পাশে থাকবে বলে তারা বিশ্বাস করে।#########

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*