শিরোনাম
Home >> বিনোদন >> জয়পুরহাট জেলা যুবলীগের সভাপতি প্রভাষক সুমন সাহা”র ২৭ বছরের রাজনৈতিক অর্জন

জয়পুরহাট জেলা যুবলীগের সভাপতি প্রভাষক সুমন সাহা”র ২৭ বছরের রাজনৈতিক অর্জন

স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস
জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শ গড়া-জয়পুরহাট জেলার পরিচ্ছন্ন-সৎ-নিষ্ঠাবান-আদর্শিক-শিক্ষিত-প্রতিভাবান রাজপথের সংগ্রামী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জেলা জুড়ে ব্যাপক সাড়াজাগানো জনপ্রিয় যুবনেতা
জয়পুরহাট জেলা যুবলীগের সংগ্রামী সভাপতিঃ- প্রভাষকঃ- সুমন সাহা”র রাজনৈতিক ২৭ বচ্ছর পদার্পণে সকল অর্জনের কথা তুলে ধরলেন ——:- মোমিন মন্ডল।
★ ১৯৮৯ সালে জয়পুরহাট নার্সারী স্কুল শাখার সাধারন সম্পাদক।
★ ৯০ সালে সৈরাচার এরশাদ হটাও গন আন্দোলনে পুলিশি নির্যাতনের শিকার।
★ ৯১ সালে শান্তিনগর আঞ্চলিক শাখা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক।
★ ১৯৯২ সালে কলেজ ছাত্র সংসদে ছাত্রলীগের এ,জি,এস পদে মনোনয়ন।
★ ১৯৯৩ সালে রাজনৈতিক মামলায় ২১ দিনের কারাবরন।
★১৯৯৩ সালে কারাবরন শেষে বের হয়ে আসার পর সদর থানা ছাত্রলীগের নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক।
★ ১৯৯৪ সালের জানুয়ারী মাসে জয়পুরহাট কলেজ ছাত্র সংসদের জি,এস মনোনয়ন এবং উত্তরবঙ্গের একমাত্র ছাত্রলীগের জি,এস হিসেবে নির্বাচিত ।
★ জি,এস হবার পর পরবর্তী ছাত্র সংসদে ছাত্রলীগকে ভিপি জি,এস সহ ১৮ টির মধ্যে ১৬ টি পদে ছাত্রলীগকে জয়লাভ করা।  যা এই কলেজের ইতিহাসে প্রথম পূর্ণ প্যানেলে নির্বাচিত।
★ ৯৫ সালের শেষের দিকে অথবা ৯৬ এর প্রথম দিকে অভ্রকে ভাইকে সদর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে  নির্বাচিত করা। সেসময় তাকে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত না করলে হয়তো তার  রাজনৈতিক জীবনের ইতি ঘটতো।
★ তদানিন্তন সময় জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি নির্বাচিত হয়ে, কলেজ ছাত্রলীগ ও জয়পুরহাটের ছাত্রসমাজ কে একত্রিত করে বি,এন,পি ও জামায়াত সরকারের বিরুদ্ধে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা।
★ এ সময়কালে তৎকালীন সরকারের শিক্ষামন্ত্রী জমির উদ্দিন সরকারকে বাধ্যকরে জয়পুরহাট সরকারী কলেজকে অনার্স কোর্সে ঘোষনা দেওয়া।
★ শিক্ষামন্ত্রী ঘোষনা দিলেও পরের দিন ঢাকায় প্রেস কনফারেন্স করে জানালেন যে নতুনকরে আর কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনার্স কোর্স চালু করা হবেনা। ফুসে উঠে জয়পুরহাটের ছাত্রসমাজ।
★ সকল ছাত্র নেতাদের নিয়ে মিথ্যুক সরকারের মন্ত্রীর পদত্যাগের জন্য হরতাল,অবরোধ,ট্রেনের নিচে শুয়ে পরে ট্রেন থামানো সহ নানা মুখী আন্দোলন গড়ে তোলা।
★ জননেত্রী শেখ হাসিনা ৯৬ সালে রাষ্টিয় ক্ষমতায় এলে সরকারী কলেজকে অনার্স কলেজে উত্তীর্ন করা।
★ ২০০৫ সালে জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মনোনীত হয়।
★২০০৬ সালে জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়।
★ সর্বশেষ ২০১৬ সালের ৩রা মে স্মরন কালের স্মরনীয় জেলা যুবলীগের সম্মেলনের মধ্যদিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় যুবলীগের জেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হয়।
এই রাজনৈতিক নেতার ২৭ পদার্পণের মধ্যে রাজনৈতিক জীবনের অংশ বিশেষ। এছাড়াও অধ্যাপনা সহ নানামুখী সামাজিক কর্মকান্ডে প্রথম সারিতে থেকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে দিনরাত কঠোর পরিশ্রমে জেলায় সঠিক নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*