শিরোনাম
Home >> লীড নিউজ >> আগামীকাল ২১ আগস্ট ট্রাজেডি কালকিনিতে নিহতের পরিবার ভাল নেই

আগামীকাল ২১ আগস্ট ট্রাজেডি কালকিনিতে নিহতের পরিবার ভাল নেই

কালকিনি (মাদারীপুর)প্রতিনিধিঃ
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউ-এ অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার মহসমাবেশে বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় কালকিনি উপজেলায় নিহতের পরিবারের সদস্যরা ভাল নেই। এ সব পরিবারে শোকের ছায়া এখনও কাটেনি। একই ঘটনায় আহতরা শরিরে স্প্রিন্টার নিয়ে পঙ্গু হয়ে দুঃসহ জীবন-যাপন করছেন। এখনও তাদের সে দিনের নারকীয় স্মৃতি তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। দীর্ঘ ১৩ বছর অতিবাহিত হলেও সে দিনের দু:সহ স্মৃতি আজও কষ্ট দেয় স্বজনদের মাঝে। ২০১২ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে নিহত ও আহত পরিবারগুলো প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত দুই থেকে দশ লাখ টাকা অনুদান পেলেও এলাকার কেউ আর তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেনি।
কালকিনি উপজেলার কয়ারিয়া ইউনিয়নের রামারপোল গ্রামের বর্বরোচিত এ গ্রেনেড হামলায় নিহত শ্রমিক নেতা নাসির উদ্দিন ছিল আওয়ামীলীগের একজন অন্ধ ভক্ত। তাই আওয়ামীলীগের মিছিল, মিটিং বা সমাবেশ হলে তাকে কেউ বেঁধে রাখতে পারতো না। মিছিল-মিটিং-এর আগে থাকতো, শ্লে¬াগান দিত। শোষণ আর বঞ্চনার বিরুদ্ধে সেই প্রতিবাদী কণ্ঠ আর শোনা যাবে না।
নাসিরের বড় ছেলে মাহাবুব হোসেন (২১) জানান, বাবার উপার্জনেই চলতো সংসার। বাবার মৃত্যুর পর টাকার অভাবে আমাদের লেখাপড়া প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কোন কোনদিন আর্ধপেট আবার কোনদিন খাবারই জোটেনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের ১০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র দিয়েছেন। এখন সেই টাকার লভ্যাংশ দিয়ে আমার মা, আমি আর আমার ভাই নাজমুলকে নিয়ে কোনরকম বেঁচে আছি। এ ছাড়া আমাদের খবর আর কেউ রাখেনি।
গ্রেনেড হামালায় নিহত যুবলীগ নেতা মোস্তাক আহাম্মেদ ওরফে কালা সেন্টু। তার বাড়ি কালকিনি উপজেলার ক্রোকিরচর। সে বরিশালের মুলাদি নানা বাড়িতে বড় হয়েছে। এ কারনেই তার লাশ মুলাদিতেই দাফন করা হয়। কথা হয় সেন্টুর স্ত্রী আইরিন সুলতানার সাথে। তিনি ঢাকার মার্কেন্টাইল ব্যাংকে চাকরি করেন। এক মেয়ে আফসানা আহমেদ রীদিকে নিয়ে ঢাকায় থাকেন। তিনি বলেন, এমন দু:খজনক স্মৃতি কি ভোলা যায়, না মুছে যায়। মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় থাকি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ১০ লাখ টাকার অনুদান পেয়েছিলাম। সে সম্বল আর চাকরি থেকে যা পাই, তা দিয়েই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*