শিরোনাম
Home >> লীড নিউজ >> চাটমোহরে পৌর শহরে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়েই চলেছে

চাটমোহরে পৌর শহরে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়েই চলেছে

চাটমোহর (পাবনা) বুড়ো চীফ শিমুল বিশ্বাস
পাবনার চাটমোহর পৌরসভাই বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রবে অতিষ্ট পৌর বাসিন্দারা। বিভিন্ন স্কুল-কলেজের গেটে, সরকারী প্রতিষ্ঠানের সামনে, খাবার হোটেল, মাছ বাজার, এমনকি হাসপাতালের মধ্যে দলবদ্ধ হয়ে কুকুরের ঘোরাফেরায় আতংকিত এলাকাবাসী। এতে করে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে ভোগান্তিতে পড়ছেন স্কুল-কলেজে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীরা। স্কুল ও কলেজের শত শত শিক্ষার্থী ভয় ও আতংকের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যাওয়া আসা করছে। গত কয়েকবছর ধরে চাটমোহর পৌর সভার উদ্যোগে কুকুর নিধনের কোন কার্যক্রম না থাকায় দিন দিন বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়েই চলেছে। এতে প্রায়শই সাধারণ পথচারীদের কুকুড়ের কামড় খেতে হচ্ছে। বিশেষ করে কামড়ের শিকার হচ্ছেন শিশুরা। এদিকে দীর্ঘদিন পৌরসভায় জলাতঙ্কবাহী ভ্যাকসিন না থাকায় বাজার থেকে বেশি দাম দিয়ে ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের ।

পৌর শহরের বিভিন পাড়া-মহল্লা ঘুরে দেখা গেছে, দিন রাত রাস্তার ওপর দলবদ্ধ হয়ে অবস্থান করে বেওয়ারিশ কুকুরের দল। পথচারী দেখলেই তেড়ে আসে। আর হাতে খাবার থাকলে তো কথাই নেই; খাবার কেড়ে নিয়ে দেয় দৌড়। বেশিরভাগ কুকুরের গায়ে দগ দগে ঘা। এতে করে বিভিন্ন রোগ জীবাণু ছড়াচ্ছে। কুকুরগুলো নিজেদের মধ্যে মারামারি শুরু করলে ভয়ে দৌঁড়াদৌড়ি শুরু করেন পথচারীরা। এদিকে রাস্তার ওপর কুকুর শুয়ে থাকার কারণে বিশেষ করে রাতের প্রায়শই মোটর সাইকেল চালকরা দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। এছাড়া পথচারী থেকে শুরু করে নারী ও শিশুদের হাতে থাকা কোন প্রকার ব্যাগ দেখলেই কুকুরগুলো বেপরোয়া হয়ে উঠে। এদের জন্য রাস্তায় চলাফেরা করাই দায় হয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পৌর মেয়র মির্জা রেজাউল করিম দুলাল বলেন, গত কয়েক বছর আগে ঢাকা থেকে লোক এসে বেশ কিছু কুকুর মেরেছে। কিন্তু এখন কুকুর নিধনের সরকারী কোন নির্দেশনা নেই। এছাড়া কুকুর নিধন সমর্থনযোগ্য নয়। ভ্যাকসিন সংকটের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারীভাবে কোন ভ্যাকসিন সাপ্লাই নেই বলে আমরা দিতে পারিনা।

One comment

  1. (পৌরসভাই) বানান ভুুল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*